ঈদগাঁওকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত করা হবে জিডি, অভিযোগ ও আইনি সহায়তায় কোনো ফি লাগে না: ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার - Banglar Jonopath
  1. dainikjonopath@gmail.com : admin :
  2. stephanie_wagner@eurovip.club : carrolhightower :
  3. anam@rus-china.travel : corinnebeaumont :
  4. harleyarchie@imhotester.forum : harleyarchie577 :
  5. aahsanmanik@gmail.com : M A Manik :
  6. marcellavos@vargosmail.com : marcellavos4720 :
  7. djcruxwh@fringmail.com : NAEWTRER1597626NEYRTHYT :
  8. nydia.lemke@imhotester.forum : nydialemke :
  9. riazuddin137990@gmail.com : Riaz Uddin :
  10. sandy_tengan@polosmail.com : sandytengan4 :
  11. yaroslav_tarasov@casinotds.xyz : sherrylmarina :
ঢাকা ০৫:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদগাঁওকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত করা হবে জিডি, অভিযোগ ও আইনি সহায়তায় কোনো ফি লাগে না: ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার

শেফাইল উদ্দিন, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেফাইল উদ্দিন, কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানাকে দালালমুক্ত, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করে একটি জনবান্ধব থানায় রূপান্তর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সোমবার  (১১ মে) একান্ত সাক্ষাৎকারে ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার বলেন, থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি), অভিযোগ দায়ের কিংবা যেকোনো আইনি সহায়তা পেতে কোনো ধরনের ফি বা অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন হয় না। সেবা প্রত্যাশীরা সরাসরি থানায় এসে সহজেই সেবা পাচ্ছেন।

তিনি বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ঈদগাঁও থানাকে দালালমুক্ত করার চেষ্টা করেছি এবং অনেকাংশে সফল হয়েছি। এখন মানুষ কোনো মধ্যস্থতাকারী বা দালাল ছাড়াই সরাসরি আমার সঙ্গে দেখা করে সেবা নিতে পারছেন। এতে দালালচক্র ও স্বার্থান্বেষী কিছু মানুষ ক্ষুব্ধ হতে পারে।”
ওসি আরও বলেন, “ঈদগাঁওয়ের প্রায় ৯৮ শতাংশ মানুষ ভালো। মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ মানুষ খারাপ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক ভালো মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।”
অপরাধ দমনে পুলিশের চলমান অভিযান সম্পর্কে তিনি বলেন, “প্রতিদিনই বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। অনেক সময় বিভিন্ন মহল থেকে অপরাধীদের ছাড়িয়ে নিতে তদবির করা হয়। কিন্তু সাধারণ মানুষ যখন সব জায়গায় ঘুরে নিরুপায় হয়ে থানার আশ্রয় নেয়, তখন তদবিরের কারণে অপরাধীদের ছেড়ে দিলে অসহায় মানুষ কোথায় যাবে?”
তিনি আরও বলেন, “এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমি নিজেই গভীর রাত পর্যন্ত মাঠে কাজ করি। রাত ২টা-৩টাতেও টহল ও অভিযান পরিচালনা করতে হয়। জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই দায়িত্ব পালন করছি। ভালো কাজের মূল্যায়ন করা সমাজের দায়িত্ব।”
ঈদগাঁও উপজেলাকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত করতে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
ওসির এমন বক্তব্য ও কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, দালালমুক্ত ও জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১১:১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে

    • আপনি কি banglarjonopath.com এর নিয়মিত পাঠক?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর শুরু৪:০৭
    জোহর শুরু১২:০৫
    আসর শুরু৪:৪২
    মাগরিব শুরু৬:৪০
    ইশা শুরু৮:০৩
    সূর্যোদয় :৫:২৯সূর্যাস্ত :৬:৩৫

    ঈদগাঁওকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত করা হবে জিডি, অভিযোগ ও আইনি সহায়তায় কোনো ফি লাগে না: ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার

    আপডেট সময় : ১১:১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

    শেফাইল উদ্দিন, কক্সবাজার প্রতিনিধি:

    কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানাকে দালালমুক্ত, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করে একটি জনবান্ধব থানায় রূপান্তর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    সোমবার  (১১ মে) একান্ত সাক্ষাৎকারে ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার বলেন, থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি), অভিযোগ দায়ের কিংবা যেকোনো আইনি সহায়তা পেতে কোনো ধরনের ফি বা অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন হয় না। সেবা প্রত্যাশীরা সরাসরি থানায় এসে সহজেই সেবা পাচ্ছেন।

    তিনি বলেন, “আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ঈদগাঁও থানাকে দালালমুক্ত করার চেষ্টা করেছি এবং অনেকাংশে সফল হয়েছি। এখন মানুষ কোনো মধ্যস্থতাকারী বা দালাল ছাড়াই সরাসরি আমার সঙ্গে দেখা করে সেবা নিতে পারছেন। এতে দালালচক্র ও স্বার্থান্বেষী কিছু মানুষ ক্ষুব্ধ হতে পারে।”
    ওসি আরও বলেন, “ঈদগাঁওয়ের প্রায় ৯৮ শতাংশ মানুষ ভালো। মাত্র ১ থেকে ২ শতাংশ মানুষ খারাপ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক ভালো মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।”
    অপরাধ দমনে পুলিশের চলমান অভিযান সম্পর্কে তিনি বলেন, “প্রতিদিনই বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। অনেক সময় বিভিন্ন মহল থেকে অপরাধীদের ছাড়িয়ে নিতে তদবির করা হয়। কিন্তু সাধারণ মানুষ যখন সব জায়গায় ঘুরে নিরুপায় হয়ে থানার আশ্রয় নেয়, তখন তদবিরের কারণে অপরাধীদের ছেড়ে দিলে অসহায় মানুষ কোথায় যাবে?”
    তিনি আরও বলেন, “এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমি নিজেই গভীর রাত পর্যন্ত মাঠে কাজ করি। রাত ২টা-৩টাতেও টহল ও অভিযান পরিচালনা করতে হয়। জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই দায়িত্ব পালন করছি। ভালো কাজের মূল্যায়ন করা সমাজের দায়িত্ব।”
    ঈদগাঁও উপজেলাকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত করতে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
    ওসির এমন বক্তব্য ও কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, দালালমুক্ত ও জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিত হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।