1. dainikjonopath@gmail.com : admin :
  2. stephanie_wagner@eurovip.club : carrolhightower :
  3. anam@rus-china.travel : corinnebeaumont :
  4. harleyarchie@imhotester.forum : harleyarchie577 :
  5. aahsanmanik@gmail.com : M A Manik :
  6. marcellavos@vargosmail.com : marcellavos4720 :
  7. djcruxwh@fringmail.com : NAEWTRER1597626NEYRTHYT :
  8. nydia.lemke@imhotester.forum : nydialemke :
  9. riazuddin137990@gmail.com : Riaz Uddin :
  10. sandy_tengan@polosmail.com : sandytengan4 :
  11. yaroslav_tarasov@casinotds.xyz : sherrylmarina :
ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে গোলাগুলি: ‘হালিম গ্রুপ’ প্রধান নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন কথিত সন্ত্রাসী সংগঠন ‘হালিম গ্রুপ’-এর প্রধান আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় ক্যাম্পজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-এর ৮/ইস্ট ব্লকের লাল ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের ভেতরে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে একাধিক সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে প্রতিপক্ষের একদল সশস্ত্র ব্যক্তি আব্দুল হালিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়।
গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন হালিম। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান বলে জানা গেছে। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক সিরাজ আমিন। তিনি জানান, ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের পর ক্যাম্প এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতিরিক্ত টহল জোরদার করেছে।
উল্লেখ্য, উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সশস্ত্র গ্রুপগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৪:১৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ৫২ বার পড়া হয়েছে

    • আপনি কি banglarjonopath.com এর নিয়মিত পাঠক?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর শুরু৪:০৭
    জোহর শুরু১২:০৫
    আসর শুরু৪:৪২
    মাগরিব শুরু৬:৪০
    ইশা শুরু৮:০৩
    সূর্যোদয় :৫:২৯সূর্যাস্ত :৬:৩৫

    উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে গোলাগুলি: ‘হালিম গ্রুপ’ প্রধান নিহত

    আপডেট সময় : ০৪:১৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

    নিজস্ব প্রতিবেদক:

    কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন কথিত সন্ত্রাসী সংগঠন ‘হালিম গ্রুপ’-এর প্রধান আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় ক্যাম্পজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-এর ৮/ইস্ট ব্লকের লাল ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের ভেতরে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে একাধিক সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে প্রতিপক্ষের একদল সশস্ত্র ব্যক্তি আব্দুল হালিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়।
    গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন হালিম। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান বলে জানা গেছে। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।
    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক সিরাজ আমিন। তিনি জানান, ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
    এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের পর ক্যাম্প এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতিরিক্ত টহল জোরদার করেছে।
    উল্লেখ্য, উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সশস্ত্র গ্রুপগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।