1. dainikjonopath@gmail.com : admin :
  2. stephanie_wagner@eurovip.club : carrolhightower :
  3. anam@rus-china.travel : corinnebeaumont :
  4. harleyarchie@imhotester.forum : harleyarchie577 :
  5. aahsanmanik@gmail.com : M A Manik :
  6. marcellavos@vargosmail.com : marcellavos4720 :
  7. djcruxwh@fringmail.com : NAEWTRER1597626NEYRTHYT :
  8. nydia.lemke@imhotester.forum : nydialemke :
  9. riazuddin137990@gmail.com : Riaz Uddin :
  10. sandy_tengan@polosmail.com : sandytengan4 :
  11. yaroslav_tarasov@casinotds.xyz : sherrylmarina :
ঢাকা ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধান তলিয়ে যেতে দেখে কৃষকের মৃত্যু

বাংলার জনপথ ডেস্ক

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলার জনপথ ডেস্ক :

৫০ হাজার টাকা ধার নিয়ে জমিতে ধান রোপণ করেছিলেন আহাদ মিয়া (৫৫)। কয়েক দিন পরই ধান ঘরে উঠানোর কথা। তবে অতিবৃষ্টির পানিতে ডুবে যায় সেই স্বপ্ন। জমি থেকে পানি সরছিল না তিন দিন ধরে।

শনিবার নাসিরনগর উপজেলার মেদির হাওর থেকে কৃষকরা ধান কাটেন। দৈনিক ১২ শ থেকে ১৫ শ টাকা মজুরি দিয়ে ধান কাটানো হচ্ছে। তবে কয়েকদিন ধরে পানির নিচে থাকায় ইতিমধ্যেই কিছু ধানে পচন ধরেছে। এ ছাড়া কিছু ধান এখনো পুরোপুরি পাকেনি। এ অবস্থায় কৃষকরা পুরোপুরি লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

নাসিরনগরের মহাকাল পাড়ার কৃষক আবু লাল মিয়া জানান, তিনি ২০ কানি জমিতে ধান রোপণ করেছিলেন। মাত্র পাঁচ কানি জমির ধান পানির নিচ থেকে কেটে আনতে পেরেছেন। এখনো ১৫ কানি জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে আছে। কি করবেন বুঝতে পারছেন না।

আবু লাল নামে এক কৃষক বলেন, ‘দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে উচ্চ মূল্যে সুদের কথা বলে টাকা এনে জমিতে ধান রোপণ করেছি। আশা ছিল ধান বিক্রি করে ওই দেনা পরিশোধ করব। কিন্তু পানিতে ধান তলিয়ে যাওয়ায় কিভাবে কি করব বুঝে উঠতে পারছি না।’

এদিকে পানিতে জমি তলিয়ে যাওয়া দেখে মারা যাওয়া কৃষক আহাদ মিয়ার বড় ভাই স্থানীয় ইউপি সদস্য আহম্মদ হোসেন বলেন, ‘সকালে কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে গিয়েছিল আমার ভাই। সব ধান তলিয়ে গেছে দেখে অসুস্থ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।’

আহাদ মিয়ার ভাতিজা ফারুক মিয়া জানান, ৫০ হাজার টাকা ঋণ করে তার চাচা ছয় বিঘা জমিতে ধান আবাদ করেছিলেন। সব জমির ধান পানিতে চলে যাওয়ার বিষয়টি তিনি সহ্য করতে পারেননি। এমন দৃশ্য দেখে তিনি ঘটনাস্থলেই অসুস্থ হয়ে মারা যান।

নাসিরনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন শনিবার সন্ধ্যায় জানান, আহাদ মিয়া নামে এক কৃষক জমিতে ধান কাটতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। পরিবারের সদস্যরা তার লাশ নিয়ে গেছেন।

তিনি আরো জানান, নাসিরনগরের হাওরে প্রায় এক হাজার বিঘা জমি পানিতে তলিয়ে আছে। কিছু কৃষক ধান কাটতে শুরু করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত দু’শ কৃষকের তালিকা করে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে

    • আপনি কি banglarjonopath.com এর নিয়মিত পাঠক?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর শুরু৪:০৭
    জোহর শুরু১২:০৫
    আসর শুরু৪:৪২
    মাগরিব শুরু৬:৪০
    ইশা শুরু৮:০৩
    সূর্যোদয় :৫:২৯সূর্যাস্ত :৬:৩৫

    ধান তলিয়ে যেতে দেখে কৃষকের মৃত্যু

    আপডেট সময় : ০১:০৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

    বাংলার জনপথ ডেস্ক :

    ৫০ হাজার টাকা ধার নিয়ে জমিতে ধান রোপণ করেছিলেন আহাদ মিয়া (৫৫)। কয়েক দিন পরই ধান ঘরে উঠানোর কথা। তবে অতিবৃষ্টির পানিতে ডুবে যায় সেই স্বপ্ন। জমি থেকে পানি সরছিল না তিন দিন ধরে।

    শনিবার নাসিরনগর উপজেলার মেদির হাওর থেকে কৃষকরা ধান কাটেন। দৈনিক ১২ শ থেকে ১৫ শ টাকা মজুরি দিয়ে ধান কাটানো হচ্ছে। তবে কয়েকদিন ধরে পানির নিচে থাকায় ইতিমধ্যেই কিছু ধানে পচন ধরেছে। এ ছাড়া কিছু ধান এখনো পুরোপুরি পাকেনি। এ অবস্থায় কৃষকরা পুরোপুরি লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

    নাসিরনগরের মহাকাল পাড়ার কৃষক আবু লাল মিয়া জানান, তিনি ২০ কানি জমিতে ধান রোপণ করেছিলেন। মাত্র পাঁচ কানি জমির ধান পানির নিচ থেকে কেটে আনতে পেরেছেন। এখনো ১৫ কানি জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে আছে। কি করবেন বুঝতে পারছেন না।

    আবু লাল নামে এক কৃষক বলেন, ‘দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে উচ্চ মূল্যে সুদের কথা বলে টাকা এনে জমিতে ধান রোপণ করেছি। আশা ছিল ধান বিক্রি করে ওই দেনা পরিশোধ করব। কিন্তু পানিতে ধান তলিয়ে যাওয়ায় কিভাবে কি করব বুঝে উঠতে পারছি না।’

    এদিকে পানিতে জমি তলিয়ে যাওয়া দেখে মারা যাওয়া কৃষক আহাদ মিয়ার বড় ভাই স্থানীয় ইউপি সদস্য আহম্মদ হোসেন বলেন, ‘সকালে কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে গিয়েছিল আমার ভাই। সব ধান তলিয়ে গেছে দেখে অসুস্থ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।’

    আহাদ মিয়ার ভাতিজা ফারুক মিয়া জানান, ৫০ হাজার টাকা ঋণ করে তার চাচা ছয় বিঘা জমিতে ধান আবাদ করেছিলেন। সব জমির ধান পানিতে চলে যাওয়ার বিষয়টি তিনি সহ্য করতে পারেননি। এমন দৃশ্য দেখে তিনি ঘটনাস্থলেই অসুস্থ হয়ে মারা যান।

    নাসিরনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন শনিবার সন্ধ্যায় জানান, আহাদ মিয়া নামে এক কৃষক জমিতে ধান কাটতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। পরিবারের সদস্যরা তার লাশ নিয়ে গেছেন।

    তিনি আরো জানান, নাসিরনগরের হাওরে প্রায় এক হাজার বিঘা জমি পানিতে তলিয়ে আছে। কিছু কৃষক ধান কাটতে শুরু করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত দু’শ কৃষকের তালিকা করে পাঠানো হয়েছে।