এর আগে একই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে আবু তাহের ও আব্দু রহিম মারা যান। সর্বশেষ গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় চমেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন মোতাহের। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতি বার (৫ মার্চ) ভোরে তিনি মারা যান বলে পরিবার সূত্র জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলাতলীর ওই গ্যাসপাম্পে অগ্নিকাণ্ডের সময় ১০ জন শ্রমিক ও কর্মচারী দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে ঘটনাটি নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিস্ফোরণ অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্যাসপাম্পটির জেলা প্রশাসনের অনাপত্তিপত্র, পরিবেশ অধিদপ্তরের সনদ, ফায়ার সার্ভিসের অনুমতিপত্র এবং বিস্ফোরণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছিল না।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। নিহতদের পরিবারও বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন।









